DNA টেস্টের ব্যবহার । ছবি : সংগৃহীত।

সবাইকে বাংলা নিউজ ডিজিটালের পক্ষ থেকে স্বাগতম। আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় DNA Test । আসুন তার আগে কিছু কথা জেনে নেওয়া যাক। বর্তমান সযময়ে অপরাধী শনাক্ত করণে বহুল ব্যবহৃত হয় DNA টেস্ট। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই অপরাধী শনাক্ত করা যায়।

বর্তমান সময়ে অজ্ঞাত অপরাধী শনাক্ত করণে বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো ডি এন এ টেস্ট।‌ বর্তমান সময়ে বিশ্বের এমন‌কোন দেশ নাই যেখানে এই DNA test করা হয় না। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ আজ DNA Test ব্যবহার করে অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তির পরিচয়/ দূর্ঘটনায় মারা যাওয়া অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশের পরিচয় পাওয়ার জন্য।

১. DNA কি ?

  • Dioxiribonewclick Acid । DNA হলো বংশগতির ধারক। একটি জীবের আচার – আচরণ ,গঠন নির্বাচন করে DNA। এছাড়াও জীবের ভৌত ভিত্তি হলো DNA।

২. ডি এন এ টেস্ট এ কি ব্যবহার করা হয়?

  • DNA Test এ অজ্ঞাত ব্যক্তি/লাশের হাড় , লালা,রক্ত ব্যবহার করা হয়। অপরাধ সংঘটিত স্হানে পাওয়া নমুনাই DNA টেস্টের জন্য ব্যবহার করা হয়।

৩. ডি এন এ টেস্ট কাকে বলে:

  • অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তির পরিচয় বের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে DNA টেস্ট বলা হয়। অপরাধী শনাক্ত করতে, অজ্ঞাত বাচ্চার পরিচয় বের করার জন্য DNA টেস্ট করা হয়।

৪.DNA এর কাজ কি:

  • পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানদের মাঝে নিয়ে যাওয়াই DNA এর কাজ। পিতা-মাতার / অন্যান্য বংশোদ্ভূতদের বৈশিষ্ট বজায় রাখতে সহায়তা করে ।

৫.DNA রেপ্লিকেশন কি :

  • যে প্রক্রিয়ায় মাতৃ DNA থেকে তার অনুরূপ DNA তৈরি করা হয় তাকে DNA রেপ্লিকেশন বলা হয়।মুলত DNA এর সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াই DNA রেপ্লিকেশন।

৭.DNA Test ব্যবহারঃ

বর্তমান সময়ে অজানা অপরাধী শনাক্ত করতে বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো ডি এন এ টেস্ট। এন এ টেস্ট সাধারণ নিন্মোক্ত কয়েকটি বিষয়ের উপর করা হয় ।যেমন: পিতৃত্ব নির্ণয়ে, অপরাধী শনাক্ত করতে,হারানো সন্তান খুজে পাওয়ার জন্য।

অপরাধ শনাক্ত করণে ডিএন এ টেস্ট :

বর্তমান সময়ে বিশ্বের প্রায় প্রতিদিনই প্রতিটি দেশে অপরাধ মুলক কাজ হচ্ছে। প্রতিটি দেশেই চুরি-ডাকাটি,খুন এখন প্রতিটি দেশেই হচ্ছে।এই ঘটনায় অপরাধী শনাক্ত করা হচ্ছে ডিএন এ টেস্টের মাধ্যমে।

মনে করি কোনো এক স্হানে অপরাধ সংগঠিত হলো। এখন অপরাধী যখন কারো উপর আক্রমণ করে তখন ভিকটিম চেষ্টা করে নিজেকে বাঁচাতে। এবং এ সময় ভিকটিমের সাথে অপরাধীর ধস্তাধস্তি হতে পারে । এসময় অপরাধীর চুল/কোষের স্যাম্বল ভিকটিমের হাতের সাথে লেগে থাকতে পারে।

পরবর্তী যখন পুলিশ তদন্ত করে তখন ভিকটিমের হাতে লেগে থাকা চুল/ কোষের স্যাম্বল সংগ্রহ করা হয় এবং এই স্যাম্বল দিয়ে ডিএন এ প্রফাইলিং তৈরি করা হয় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মাঝ থেকে তাদের স্যাম্বল নিয়ে আলাদা প্রফাইলিং করা হয়। এরপর এই দুটো প্রফাইলিং মিলিয়ে দেখা হয় এবং সহজে ই অপরাধী ধরা পড়ে এই পরীক্ষায়।

পিতৃত্ব/মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে ডি এন এ টেস্ট:

আমাদের দেশে অনেকে বিয়ের আগে অবৈ*ধ সম্প*র্কে জড়িয়ে যায়। এবং অনেক সময় সন্তানের জন্ম দেয় । কিন্তূ জন্ম দেওয়ার পর অনেক সময় পিতা তার সন্তান বলে অস্বীকার করতে পারে।

এ সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত গ্রহণ এবং ১০০ ভাগ নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয় ডি এন এ টেস্ট। এসময় সন্তানের লালা/রক্ত নিয়ে ডি এন এ প্রফাইলিং তৈরি করা হয় ।এর পর পিতা/মাতা এর স্যাম্বল নিয়ে আলাদা প্রফাইলিং করা হয় । এবং এই দুইটা প্রফাইলিং মিলিয়ে সন্তানের আসল পিতা/মাতা শনাক্ত করা যায়।

বয়স নির্ধারণ করতে ডি এন এ টেস্টের ব্যবহার:

অনেক সময় আমাদের অজ্ঞত কোনো ব্যক্তির পরিচয় জানার সাথে সাথে বয়স জানার ও প্রয়োজন‌পড়ে। আর এ বয়স জানার জন্য ডি এন‌এ টেস্ট ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন মানুষের মুখের লালা‌ দিয়ে বয়স জানা সম্ভব ডি এন এ টেস্টের মাধ্যমে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটার নাম দিয়েছেন ” মিথাইলেশন “।

সর্বোপরি আমরা বলতে পারি যতগুলো প্রযুক্তি আছে তার মাঝে ডি এন এ টেস্ট প্রযুক্তি হলো অত্যাধুনিক । অজ্ঞাত অপরাধী, লাশ, পরিচয় শনাক্ত করার জন্য।

জেনে নিন কিভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন,

খুব সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ।